মোবাইল ট্রেন টিকেট বুকিং করুন খুব সহজে | ট্রেনের টিকিট ক্রয়

মোবাইল ট্রেন টিকেট বুকিং করুন খুব সহজে | ট্রেনের টিকিট ক্রয়


Hello বন্ধুরা, আশা করি আপনারা ভালো আছেন। সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। আশা করি আপনাদের ঈদ ভালোই কাটতেছে। আপনারা অনেকে গ্রামে গেছেন ঈদ কাটানোর জন্য। কিন্তু গ্রাম থেকে অনেকে তাদের কর্ম সংস্থানে ট্রেনে আসার কথা চিন্তা করতেছেন। কিন্তু জানেন না যে কীভাবে ট্রেনের টিকিট ক্রয় করতে হয়। তাই আপনাদের কথা চিন্তা করে আজ আমি ট্রেনের টিকিট ক্রয় এবং মোবাইল ট্রেন টিকেট বুকিং করুন খুব সহজে এই আর্টিকেলটা লিখেছি।
So,চলুন আরো এক নতুন জ্ঞানের যাএা শুরু করি। 

অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কাটার সময় কখন

সবাই ট্রেনে ভ্রমন করতে পছন্দ করে থাকে। যার জন্য তারা ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য অনেক লম্বা লাইনে দাড়িয়ে থাকে। কিন্তু টিকেট আার পায় না। যার জন্য তাদের অনেক মুল্যবান সময় অনায়সে নষ্ট হয়ে যায়। 

তাই আজকাল সবাই অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট ক্রয় করে রাখে। কিন্তু অনেকের মনে একটা কমন প্রশ্ন থাকে যে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট কাটার সময় কখন। এর উওর হলো ২৪ ঘন্টার ভিতর আপনার যে সময় ইচ্ছা ঔ সময় কাটতে পারবেন। আপনি এক NID Card দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ টা টিকেট কাটতে পারবেন। 

তাই আপনাদের কোন কষ্ট ছাড়া ট্রেনের টিকেট কাটতে হলে অবশ্যই আপনার একটা Railway  E Ticket একাউন্ট থাকতে হবে।   

গুগল নিউজে আমাদের সাইটি ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন

অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করার নিয়ম 

আমরা অনেকে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য সঠিকভাবে রেলওয়ে এর  E-Ticket একাউন্ট খুলতে পারেন না। 
তাই কীভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করবেন সম্পূর্ণ ধাপ নিচে দেখানো হলোঃ

১. প্রথমে আপনি গুগলে গিয়ে সার্চ বারে লিখবেন 
e ticket. তারপর Bangladesh Railway এর ওয়েবসাইটা ওপেন করবেন।  


২. ওপেন হয়ে গেলে তিনটা লাইনের মত এখানে ক্লিক করবেন  




৩. তারপর Register এ ক্লিক করবেন   


৪. আপনার মোবাইল নাম্বার ও NID Card এর নাম্বার এবং আপনার জম্ম তারিখে লিখে I'm not robot এ ক্লিক করবেন তারপর verify বাটনে ক্লিক করবেন। এরপর Submit Data ক্লিক করুন।         


৫. আপনার পুরো নাম, নাম্বার, ই-মেইল NID Card নাম্বার, আপনার বাসার ঠিকানা এবং পোস্ট কোড ও আপনার পাসওয়ার্ড দিনেন এবং আপনার একটা ছবি আপলোড করে SingUp বাটনে ক্লিক করবেন।    


৬. আপনার মোবাইল নাম্বারে একটা ৬ ডিজিট এর একটা কোড আসবে রেলওয়ে থেকে ঔ কোডটা এখানে বসিয়ে Continue বাটনে ক্লিক করুন।      


৭.আপনার ভেরিফিকেশন এখন পেন্ডিং এ আছে। ৭২ ঘন্টা পরে আপনাকে মেসেজ দিয়ে জানাবে।   


৮.মেসেজ দেওয়ার পর আপনার ভেরিফাই করা হয়ে গেছে। তারপর আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে Rail Sheba app টি ইন্সটল করে লগইন করবেন।      


৯. তারপর তাদের Trams and conditions এ Agree করার জন্য বাটনে ক্লিক করবেন।    


১০. সঠিকভাবে আপনার একাউন্ট খুলা হয়ে গেছে। এখন আপনি এখান থেকে ট্রেনের টিকেট ক্রয় করতে পারবেন নিজে একাই কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ক্রয় করতে পারবেন।    

আরো পড়ুন: 

•  ই-সিম কি? কীভাবে eSIM ইন্সটল করবো এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা √

• Facebook Profile Monetizetion থেকে কীভাবে টাকা আয় করবেন √

• 
মোবাইল ট্রেন টিকেট বুকিং করুন খুব সহজে 

ট্রেনের টিকিট ক্রয় অ্যাপস কোনটা 

ট্রনের টিকেট কাটার জন্য একটাই সরকারি অ্যাপ রয়েছে তার নাম হলো Rail Sheba app যা আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে পেয়ে যাবেন। যারা আইফোন ব্যবহার করেন তা অ্যাপেল স্টোরে গেলে পেয়ে যাবেন এই অ্যাপটা। এই অ্যাপটা বাংলাদেশ রেলওয়ে মন্তনালয়ের প্রকাশ কারা একটা ই টিকেট অ্যাপ। যার মাধ্যমে আপনি সরাসরি নিজেই নিজের NID Card দিয়ে টিকেট কাটতে পারনেন।      

আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল Join করতে এখানে ক্লিক করুন

মোবাইলে ট্রেন টিকেট বুকিং করার নিয়ম

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট ক্রয় আজকাল অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাই সকলে টিকেটর জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা না দাঁড়িয়ে তারা অনলাইনে টিকেট ক্রয় করতে অনেক পছন্দ করছে। কারন আপনার কোন সময় নষ্ট হবে না এবং অনেক তাড়াতাড়ি আপনি ঘরে বসে আপনার ভ্রমনের জন্য টিকেট কাটতে পারবেন।এখন বলনো কিভাবে মোবাইল ট্রেন টিকেট বুকিং করবেন।   

১. আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটা ইন্সটল করবেন।      



২. ওপেন করবেন এবং উপরের দেওয়া নিয়ম ফলো করে আশা করি আপনি একাউন্টি সঠিকভাবে খুলতে পরেছেন। তারপর আপনার একাউন্ট লগইন করুন। এরপর 

• আপনি কোথায় থেকে যাবেন তার নাম লিখেন 
•  কোন Station এ যাবেন তা সিলেক্ট করুন  
• আপনার ক্লাস সিলেক্ট করুন 
• আপনি কোন দিন যাবেন তা সিলেক্ট করে Search Trains বাটনে ক্লিক করুন 



৩.আপনার ক্লাস অনুযায়ী টিকেট সিলেক্ট করে Book Now বাটনে ক্লিক করেন     


৪. আপনার সিট সিলেক্ট করেন 
 


৫. সিট সিলেক্ট করার পর Continue Purchases বাটনে ক্লিক করুন 
   


৬. আপনার নাম ও ঠিকানা দিয়ে Proceed বাটনে ক্লিক করুন   



৭. এটা আপনি ভলো করে দেখে তারপর পেমেন্ট করবেন। পেমেন্ট করার জন্য আপনি বিকাশ সিলেক্ট করুন     




৮. বিকাশ সিলেক্ট করার পর Proceed to Payment বাটনে ক্লিক করতে হবে।   


৯.তারপর বিকাশের অপশেন আসবে এখানে আপনি আপনার বিকাশ নাম্বার, ভেরিফিকেশন কোড এবং আপনার পিন দিয়ে পেমেন্টা Complete করবেন।     


  
এই steps গুলা ফলো করেই আপনি যে কোন ট্রেনের টিকেট মোবাইল থেকে কাটতে পারবেন। 

মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয়


এখন বলি আপনি যদি দেশের বাইরে থাকেন বা আপনার একটা মাস্টার কার্ড আছে সেক্ষেএে আপনি চাচ্ছেন আপনার প্রিয়জনের জন্য মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট বুকিং করতে। আপনারা তো সবসময় মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয় করে থাকেন তাই এইবার বলবো যে কিভাবে মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয় করবেন নিচে একদম প্রাকটিক্যাল আকারে দেখানো হয়েছে।


Step-1: আপনি প্রথমে ট্রেনের সিট সিলেক্ট করার পর Mobile Banking অপশন থেকে Credite or Debit Card এর অপশেন সিলেক্ট করবেন। তারপর নিচের অপশেন থেকে মাস্টার কার্ড এর অপশেন সিলেক্ট করুন এবং Proceed To Pay এই বাটনে ক্লিক করুন। 

মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয়


Step-2: তারপর আপনার মাস্টার কার্ড এর অ্যাপস এই লগইন করবেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন কার্ড নাম্বার এবং মেয়াদ ও CVV Code দেখে নিন। 

মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয়

Step-3: এরপর Pyypl Master Card থেকে যে তথ্য পেয়েছেন তা এই বার খুব সাবধানে Fillup করুন। তারপর Pay বাটনে ক্লিক করুন।    

মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয়

Step-4: যখন আপনি Pay বাটনে ক্লিক করবেন এরপরেই নিচের মতো একটা পেইজ ওপেন হবে। 
আপনার মাস্টার কার্ড এর অ্যাপস বা আপনার মোবাইল নাম্বারে একটা মেসেজ আসবে যে পেমেন্ট কনফার্ম এর জন্য তারপর আপনি কনফার্ম করলেই পেমেন্ট সফলভাবে হয়ে যাবে।          

মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয়

আসা, করি উপরের এই ৪টি স্টেপ ফলো করে সফলভাবে মাস্টার কার্ড দিয়ে ট্রেনের টিকিট ক্রয় করতে পেরেছেন। 

ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য ফি কত দিতে হবে 

আমরা অনেকে জানি না যে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য কোন ফি দিতে হবে কি না। একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা প্রতি টিকেট কাটার জন্য ২০ টাকা করে ফি নেওয়া হয়। যার ফলে আমাদের টিকেট কোন ঝামেলা ছাড়াই আমরা হাতে পেয়ে যাই।    

এটার সুবিধা হলো আমরা কোন লাইনে দাড়াতে হয় না। আবার কোন প্রকার ঝামেলো ও পহাতে হয় না। 

আমরা মনে হয় এটা ঠিক আছে। বিশ টাকার বিনিময়ে ভালো সুবিধা দিচ্ছে। তাই আপনাদের সকলের উচিত অনলাইনে টিকেট কাটার মানসিক সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।     

বিকাশে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

বিকাশ অফিশিয়াল এখনো এই সুবিধাটি তাদের অ্যাপে যুক্ত করে নি। কিন্তু প্রক্রিয়াটা একই হবে। আপনি যেভাবে অনলাইন ট্রেনের টিকেট কেটেছেন ঠিক একইভাবে তারা তাদের অ্যাপের ভিতর এই সিস্টেম করে দিবে। যার ফলে ট্রেনের টিকেট কাটা আরো সহজ এবং তারাতাড়ি হবে।

যদি তারা এটা চালু করে তাহলে আপনার আর Railway E-Ticket একাউন্ট খুলতে হবে না। তাদের NIDCard এর ও প্রয়োজন হবে না। কারন বিকাশ আগেই আপনার NID বা KYC নিয়ে নিছে। বিকাশ আপনাকে তো আগের থেকে জানে। তাই এইগুলা কিছুর দরকার হবে না।   

কাউন্টারে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম

আমাদের অনেকের অনলাইন টিকেট না পেয়ে তারা বেশিরভাগই কাউন্টার থেকে টিকেট কাটতে হয়। আবার যাদের স্মার্টফোন থাকে না তাদেরকেও কাউন্টারে গিয়ে লাইনে দাড়িয়ে টিকেট কাটতে হয়। 

এক জন্য এখন বলবো কাউন্টারে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম। 

১.প্রথমে আপনি যদি ঢাকায় থাকেন তাহলে আপনাকে কলমাপুর রেল স্টেশন এই যেতে হবে। 

২.তারপর টিকেট কাউন্টারে যেতে হবে। 

৩.আপনি কোথায় যেতে চান তা কাউন্টারে থাকা ব্যাক্তিকে বলতে হবে।  

৪.তারপর আপনার নিজের NID Card তাকে দিতে হবে টিকেট কাটার জন্য।

৫.কাউন্টারে থাকা ব্যাক্তি আপনকে টিকেট প্রদান করলে আপনি তাকে টিকেটের টাকা পরিশোধ করে দিবেন।   

এই ৫টা নিয়ম ফলো করেই আপনি কাউন্টার থেকে আপনার  ট্রেনের টিকেট কাটতে পারবেন। 

কিভাবে ট্রেনের টিকিট verify করবেন

আজকাল সবাই অনলাইন ট্রেনের টিকেট ক্রয় করে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক অসত মানুষ আছে তারা টিকেট এর কপি ফেক করে মানুষ কাছে বিক্রি করে। তাই টিকেট যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে দেখানো হলো কিভাবে ট্রেনের টিকেট  verify করবেন। 


আপনি প্রথমে আপনার Rail Sheba অ্যাপটা ওপেন করবেন এবং তিনটা লাইনে ক্লিক করবেন। এরপর verify ticket এ ক্লিক করবেন এবং আপনার টিকেটি ভেরিভাই করে নিবেন। এটা করার ফলে আপনি জানতে পারবেন টিকেটা কি আসল না কি নকল। এই সটেপটা ফলো করে আপনি আপনার টিকেটা চেক করে দেখতে পারবেন।       

ট্রেনের টিকেট ফিরত দেওয়ার নিয়ম 

আপনার কোথাও ঘুরতে যাবার কথা ছিল কিন্তু কোন একটা কারনে আপনি সেখানে যেতে পারছেন না। কিন্তু আপনি তো ৪ দিন আগে থেকে টিকেট কেটে রেখেছেন। এমতা অবস্থায় আপনি আপনার ক্রয়কৃত টিকেট ফিরত দিয়ে আপনার টাকা রিফান্ড করতে পারবেন। 

এই সুবিধা দেওয়ার ফলে অনেক মানুষ তাদের টিকেটের টাকা ফিরত পেয়েছে। যার জন্য তারা অনেক খুশি। এখন বলি আপনি কখন টিকেট ফিরত দিতে পারবেন এবং কীভবে করবেন সবকিছু বলছি। 

আপনি আপনার Rail Sheba app এ লগইন করে নিবেন। তারপর টিকেটর ক্রয়ের Purchase History তে যাবেন। যাওয়ার পর দেখবেন টিকেট রিফান্ড এর অপশেনে ক্লিক করবেন এবং আপনার টিকেট ভিরতের কারন ব্যাখ্যা করে টিকেটা ফেরত দিয়ে দিবেন। 

টিকেট কেনার পর ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে আপনাকে টিকেট ফেরতের জন্য রিকোয়েস্ট দিতে হবে। আপনি যত তারাতাড়ি টিকেট রিফান্ড করবেন তত আপনার টিকেটের মূল্য কমে যাবে। তাই ৪৮ ঘন্টা পর রিফান্ড করলে আপনি আপনার টিকেটের টাকার ৮০% পেয়ে যাবেন। তাই আপনি কখনে ভ্রমন করতে না যেতে পারলে টিকেট রিফান্ড করে আপনার টাকা ফেরত পেতে পারেন খুব সহজে।                        

আমার শেষ কথা

প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই যে পুরো আর্টিকেলটা পড়ে এই পর্যন্ত আসার জন্য। ইতিমধ্যে আপনারা  জেনে গেছেন যে কিভাবে ট্রেনের টিকেট ক্রয় করতে হয়। এই আর্টিকেলটাতে আমি আপনাদের ট্রেনের টিকেট সম্পর্কে যাবতীয় সকল কিছু ধারনা দিবার চেষ্টা করেছি। আমি আশা করি আপনারা ট্রেনের টিকিট ক্রয় এই আর্টিকেল পড়ে একটু হলেও উপকার পাবেন। 

যদি কোন কিছু বুঝতে না পারেন তাহলে আমাকে নিচের কমেন্ট বক্স এ জানাবেন। আমি যত তারাতাড়ি সম্ভব আপনার মেসেজ এর রিপ্লাই দিব। তাই সকলে ভালো থাকবেন। দেখা হবে নতুন কোন ইন্টারেস্টিং টপিক্স নিয়ে। 

আল্লাহ হাফেজ 💝 

12 Comments

  1. ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া এতো সুন্দর করে বুঝানোর জন্য। আর আমি আপনার সাইটে নতুন তাই আশা করি আমি আপনার সাইটে থেকে অনেক উপকৃত হব

    ReplyDelete
  2. উত্তর দেওয়াতে অনেক উপকার হয়েছে

    ReplyDelete
  3. So beautiful

    ReplyDelete
  4. So beautiful post

    ReplyDelete
  5. It's important post

    ReplyDelete
  6. আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য

    ReplyDelete
  7. Md. Saiful Alam Hamidi6 July 2023 at 08:36

    Thanks

    ReplyDelete
  8. Your explanation is very good thanks

    ReplyDelete
Previous Post Next Post